সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

নিগমানন্দ

অন্তর চন্দ্র Antor Chandro

**জয়গুরু*



*
*
**জয়গুরু*

*
*রোগ-যন্ত্রণা এর মধ্যেও সাক্ষী ভাবে অবস্থান করিবার শক্তি ঠাকুরের ছিল।*
এ সম্পর্কে তাহার শ্রীমুখের বর্ণনা:-" তমলুকে  একবার আমার ভীষণ জ্বর হয়েছিল। Temperature  ১০৬°  ডিগ্ৰি হতে হঠাৎ ৯৪° ডিগ্রী তে নেমে আসে। ডাক্তাররা আশা ছেড়ে দিয়েছিল। সে অবস্থায় দেখি হঠাৎ কুলকুণ্ডলিনী উর্দ্ধ পথে উঠতে আরম্ভ করে দিয়েছে, এই দেখে আমি উঠে বসলাম; তারপর সেই অবস্থাটা চলে গেল। আবার একবার ওই বসন্তের সময়। তখন আমি নিজের মাঝে এমন গভীরতম প্রদেশের ডুবে যেতাম, আর সেখানে এত শান্তি এত নীরবতা, যে আমার যে বসন্ত হয়েছে তা আমি জানতেই পারতাম না--- শরীরের জ্বালা কি বোধ করতাম না। সে বড় সুন্দর অবস্থা। বাইরে ভুবন রা বলতো---আমি নাকি অজ্ঞান হয়ে পড়েছিলাম; কিন্তু আমি জানি, আমি কোন সময় এর দরুন অজ্ঞান হ‌ইনি,। Delirium বকছি--তখনো দেখছি আমার সাক্ষী মন দেখছে আমি Delirium বকছি ----কিন্তু আমি জ্ঞানহারা কখনো হয়নি।"

🌺🌼🌺🌺🌼🌼🌼🌺
⭕⭕⭕
দুটি মন। একটা মন জ্বালা যন্ত্রণা ভোগ করছে, আর একটা মন তার পেছনে  থেকে সব দেখছে। রোগের সময় যদি এই ভাবটা বজায় থাকে, তাহলে রোগ যন্ত্রণার মাঝে ও বেশ শান্তি অনুভব করা যায়। অসুখ বিসুখে এর সময় শরীরটা দুর্বল হয়ে পড়ায়। এই দুটি মনের বিভিন্ন ক্রিয়া সুস্পষ্ট উপলব্ধি করা যায়।
⭕⭕⭕

    ⭕⭕তথ্যসূত্র: (শ্রী শ্রী ঠাকুর নিগমানন্দের লৌকিক বিদ্যা ও অলৌকিক শক্তি) (জীবনী ও বাণী :২৪৭-২৪৭ পৃষ্ঠা)

🌼🌺🌼

মন্তব্যসমূহ